নিঃসন্দেহে হিংসা অন্তরের কঠিনতম রোগের মধ্যে একটি। এটা বিভিন্ন মানুষের মধ্যে দেখা যায়, হোক সে মুসলিম কিংবা অমুসলিম। কোন কোন আলেম বলেছেন, হিংসা থেকে কেউই মুক্ত নয়। পার্থক্য হচ্ছে যারা
The brazen bull (এক মধ্যযুগীয় বর্বরতার কথকতা)
মহিলা বলল, মৃত্যুর পর আমার এবং আমার সন্তানের হাড্ডিগুলো দয়া করে একটি কাপড়ে নিয়ে একই জায়গায় দাফন করা হোক। ফেরাউন বলল, তোমার অনুরোধ আমি রাখবো। এরপর তার সন্তানদেরকে বাসা থেকে ধরে আনা হলো। একটার পর একটা সন্তানকে গরুর মত দেখতে তামার পাত্রে ফেলে দিয়ে পোড়ানো হলো। তার সর্ব কনিষ্ঠ সন্তান ছিল দুগ্ধপোষ্য। যখন এই দুগ্ধপোষ্য সন্তান সহ সেই মহিলাকে ফেলার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন সেই মহিলার অন্তরটা একটু দুর্বল হয়ে ফেরাউনের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছিল। কিন্তু সেই মুহূর্তে আশ্চর্যজনকভাবে সেই দুগ্ধপোষ্য সন্তানের মুখ থেকে কথা বের হল। বাচ্চাটি বলল, “ও আমার মা! আপনি এগিয়ে যান কারণ পরকালের শাস্তির চেয়ে দুনিয়ার শাস্তি অত্যন্ত সহজ।” এ কথা শোনার পর মহিলা সামনে এগিয়ে গেলেন।
আমাদের জীবনে গুনাহের ৬ টি কুপ্রভাব
একজন মুসলিম হিসেবে আমরা জানি গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা আমাদের জন্য কতটা জরুরি। গুনাহের কারণে আমাদেরকে দুনিয়া এবং আখেরাতে, উভয় জগতে আজাবের সম্মুখীন হতে হবে। কিন্তু,অপরদিকে গুনাহ থেকে পুরোপুরি বেঁচে থাকা একজন মানুষের পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়। মানুষ এতটাই দুর্বল যে, সে খুব সহজে গুনাহে লিপ্ত হয়ে যায়।
বান্দার এই ব্যাপারে আল্লাহ্ কোন কিছুরই পরোয়া করেন না। একবার পড়ুন, জীবন পাল্টে যেতে পারে।।
মহান আল্লাহ তায়ালা জিনকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁরই ইবাদত করার জন্য। মানুষের মাঝে যারা মুসলিম তারা আল্লাহকে রব হিসেবে মেনে নিয়েছে একজন মুসলিম হিসেবে মহান আল্লাহ তা’আলার সাথে গভীর সম্পর্ক এবং যোগাযোগ থাকাটাই স্বাভাবিক ছিল একজন মুসলিমের জন্য সবচেয়ে সম্মানের এবং বড় পাওয়া
আযানের জবাব দেয়ার ফযীলত
নবী (সা:) বলেছেন,
যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত আজানের জবাব দিবে, আজানের পর দরুদ ও দোআ পড়বে আল্লাহ তাকে দুনিয়ার জীবনে পরিশুদ্ধ করবেন এবং রাসূল (সা:) তাকে সুপারিশ করে জান্নাতে নিয়ে যাবেন।
কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আত্মার প্রশান্তি
বর্তমান সময়ে আমরা এত ব্যস্ততার মাঝে হারিয়ে গেছি যে নিজেদেরকে নিয়ে একটু একাকী বসে ভাবার সময় পর্যন্ত ও নেই। শুধু তাই নয়, আমাদের পরিবারের সাথে সুন্দর ভাবে সময় অতিবাহিত করার
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের ফজিলত
“কোনো একদিন হযরত জিবরাঈল (আঃ) নবী করীম (ﷺ)-এর কাছে বসে ছিলেন। হঠাৎ প্রচন্ড একটি শব্দ শোনা গেলো । হযরত জিবরাঈল (আঃ) নিজের মাথা উচু করে বললেন, এটা আকাশের সেই দরজা
মিসওয়াকের মাহাত্ন্য
আল তারগ্বীব ওয়াল তারহীব গ্রন্থে, মেসওয়াকের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা লিখেছেন শাইখ আল মুন্যিরি। তিনি অত্যন্ত উচ্চমানের হাদিস বিশারদ ছিলেন। তিনি মিশরে জন্মগ্রহণ করেন। আল মুন্যিরি তাঁর
সচ্চরিত্রতা সম্পর্কে কিছু জরুরী হাদিস
১। সচ্চরিত্রতার মাহাত্ম্য وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَت: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إنَّ المُؤْمِنَ لَيُدْرِكُ بِحُسْنِ خُلُقِه دَرَجَةَ الصَّائِمِ القَائِمِ»
জিলহজের প্রথম বরকতময় দশ দিনে যে চারটি আমল করতে পারেন
শপথ ফজরের,শপথ দশ রাত্রির, শপথ তার, (সূরা আল ফজর: ১-২) তাফসীর কারদের মতে এখানে যে দশ রাতের কসম খাওয়া হয়েছে তা হলো জিলহজের প্রথম দশ দিন। এটি একটি বিশেষ কসম।
