রাসুল পাক (সাঃ) ইমামতীর জন্য দাঁড়িয়ে মুসল্লীদের নিকট তাকিয়ে সবার কাতার সোজা করাতেন। সবার উদ্দেশ্যে বলতেন, “তোমরা কাতার সোজা কর এবং গায়ে গায়ে লেগে দাঁড়াও, সালাত পরিপূর্ণ হবার জন্য এটা
চলুন কেনাকাটা করতে যাই!!!!
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রবাহে আমরা অনেক কাজ করে থাকি। সেই সুবাদে বাজার বা Market আমাদের জীবনের এক গুরুত্বপুর্ণ অংশ। চলার পথে, চলতে ফিরতে অফিসে যেতে, বাসায় ফিরতে, ঘুরতে যেতে। কোথায়
মুক্তমনা বনাম অন্ধবিশ্বাসী
মায়ের গর্ভে দুটি যমজ বাচ্চা। ইতোমধ্যে ৭ মাস হয়ে গেছে। দুজনেই এখন গর্ভের জগতে এক একজন পরিণত ব্যক্তিত্ত্ব। হঠাত দুজনের মধ্যে একজন আরেকজনকে জিজ্জেস করল, “গর্ভকালীন সময়ের পরে, প্রসবপরবর্তী জীবন সম্পর্কে
শয়তানী কর্মপন্থার মূলনীতিঃ মানুষ যে ভাবে ধোকায় পড়ে।
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম।।।।।। যদি প্রশ্ন করা হয়, মানুষের আসল শত্রু কে? সবাই এক বাক্যে স্বীকার করবেন, “অবশ্যই শয়তান, ইবলিস!!!” কিন্তু এই ইবলিস সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি? যে সেনাবাহিনী তাঁর শত্রুকে চিনতে
একটি ছোট গল্প (গল্পের চরিত্র কাল্পনিক) এর পরের অংশ
আব্দুস সামাদ সাহেবের অফিসের বস্ হলেন ইব্রাহীম সাহেব। সেই দিন এক মিটিং এর ফাঁকে তিনি বললেন, “আমরা ভাই আসলেই মুসলমান হিসেবে অনেক বোকা। আল্লাহপাক আমাদেরকে কোরআন দিয়েছেন বুঝে পড়ার জন্য,
বিনয় এবং ইসলাম
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজ ছাড়া মানুষ অচল। সমাজে চলার তাগিদেই মানুষকে বিভিন্ন লেনদেন এবং পারস্পরিক আদান–প্রদান করতে হয় এবং এই আদান–প্রদান বা লেনদেনের ক্ষেত্রেই মানবিক চরিত্রের বহির্প্রকাশ ঘটে। মানব চরিত্রের
একটি ছোট গল্প (গল্পের চরিত্র কাল্পনিক)
আব্দুস সামাদ সাহেব ঢাকার পরীবাগ এলাকায় বসবাস করেন। অত্যন্ত সাদাসিধে একজন মানুষ। খুবই সৎ। নিজেকে কোন রকম ঝামেলায় জড়াতে চান না। এবং আল্লাহর রহমতে ঝামেলাতেও পড়েন না। তার দুই ছেলে।
রাতের পর ভোরের শুরু: তৃতীয় কিস্তি
(পূর্ব প্রকাশের পর)মসজিদে মুসল্লীদের সমাগম হলে বেলাল (রাঃ) রাসুল (সাঃ) এর হুজরার সামনে গিয়ে বললেন, “সালাতের সময় হয়েছে, ইয়া রাসুলুল্লাহ।” রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তখন নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে হুজরা থেকে বের হলেন।
